মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইউপি মেনুয়াল

দ্বিতীয় লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট এলজিএসপিঃ২

ইউনিয়ন পরিষদ অপারেশনাল ম্যানুয়েল প্রশিক্ষণের জন্য সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা

স্থানীয় সরকার বিভাগ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মডিউল-১ এলজিএসপিঃ২ এর পরিচিতি ও কর্মপদ্ধতি
এলজিএসপি’র উদ্দেশ্য

এলজিএসপি-র মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করা। এ প্রকল্পের আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদকে সরাসরি থোক বরাদ্দ প্রদান করা ছাড়াও তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা, নতুন ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদকে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এবং জাতীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ বান্ধব নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র বিমোচন, জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে অংশীদারিত্বমূলক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার জন্য এলজিএসপি প্রকল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। উদ্দেশ্য হচ্ছে এর মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী ও জনঅংশগ্রহণমূলক দক্ষ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

    দ্বিতীয় এলজিএসপি’র অঙ্গসমূহ
    ১. ইউনিয়ন পরিষদ অনুদানসমূহ
        ক্স মৌলিক থোক বরাদ্দ (ইইএ)
        ক্স দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (চইএ)
    ২. তথ্য প্রবাহ এবং জবাবদিহিতা
    ৩. প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন (দক্ষতা)
    ৪. প্রকল্প ব্যবস্থাপনা

মৌলিক থোক বরাদ্দ (ইইএ) নির্ধারণ ও বিতরণ

    মৌলিক থোক বরাদ্দের ২৫% অর্থ সকল ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে সমহারে বিতরণ করা হবে।
    অবশিষ্ট ৭৫ ভাগ অর্থ, ইউনিয়ন পরিষদের জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে ৯০% এবং আয়তনের উপর ভিত্তি করে ১০% বরাদ্দ নির্ধারণ করা হবে।
    স্থানীয় সরকার বিভাগ মৌলিক থোক বরাদ্দের (বিবিজি) অর্থ দুই কিস্তিতে প্রদান করবে যা প্রতি বছরের আগষ্ট-সেপ্টেম্বর এবং ফেব্র“য়ারি-মার্চ মাসে সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
    ইউনিয়ন পর্যায়ের তথ্যাদি কম্পিউটারে এন্ট্রি ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হবে। এছাড়া মহিলা উন্নয়ন ফোরামকে সহায়তা প্রদান, প্রশিক্ষণ, পারস্পরিক শিখন এবং অন্যান্য নির্দিষ্ট দক্ষতা বৃদ্ধি সহায়তায় ব্যয় করা যাবে। ১০% অর্থ উল্লিখিত ক্ষেত্রে ব্যয় না হমৌলিক থোক বরাদ্দ (ইইএ) ও দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (চইএ) এর অন্তত ৩০% অর্থ নারীদের দ্বারা অগ্রাধিকার প্রাপ্ত স্কিম বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় করতে হবে মৌলিক থোক বরাদ্দ (ইইএ) ও দক্ষতা ভিত্তিক বরাদ্দ (চইএ)-এর সর্বোচ্চ ১০% অর্থ সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কাজে প্রধানত স্কিম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা, সুরক্ষা ব্যবস্থাসমূহ, হিসাবরক্ষণ, লে স্কিম বাস্তবায়নে ব্যয় করা যাবে।

মৌলিক থোক বরাদ্দ স্কিমে প্রবেশের জন্য প্রাথমিক যোগ্যতা নির্ধারণের মাপকাঠি
যোগ্যতার মাপকাঠি     সূচক     প্রয়োজনীয় দলিলাদি
১. পূর্ববর্তী আর্থিক বছরের আপত্তিহীন অডিট প্রতিবেদন     নিরপেক্ষ অডিট প্রতিষ্ঠান দ্বারা অডিট সম্পন্নকরণ এবং আর্থিক অনিয়মবিহীন অডিট প্রতিবেদন     ইউনিয়ন পরিষদের অডিট প্রতিবেদন
২. পরবর্তী আর্থিক বছরের বার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেট     জনসাধারণের অংশগ্রহণে ওয়ার্ড সভায় পরিকল্পনা প্রণয়ন জনসাধারণের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত বাজেট সভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাৎসরিক বাজেট     অংশগ্রহণকারীদের স্বাক্ষরসহ ওয়ার্ড সভার কার্যবিবরণী উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশনের স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণী/হাজিরা বই এবং বার্ষিক বাজেটের অনুলিপি
৩. সময়মত ষান্মারিক রিপোর্ট প্রদান     ৩১ জুলাই এবং ৩১ জানুয়ারীর মধ্যে প্রতিবেদন জমা করণ     যে সকল ইউনিয়ন পরিষদ উপরোল্লেখিত যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হবে তারা মৌলিক থোক বরাদ্দের শুধুমাত্র ২৫% বরাদ্দ পাবে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter